খোলা মাঠে &#

খোলা মাঠে পশুর হাট, তবুও নেই স্বাস্থ্যবিধি
খোলা মাঠে পশুর হাট, তবুও নেই স্বাস্থ্যবিধি
প্রকাশিত: ১২:১৬, ১০ জুলাই ২০২১
আপডেট: ১৩:০০, ১০ জুলাই ২০২১
সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা জৈন্তাপুর উপজেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাট বসে দরবস্ত বাজারে। এই হাটে জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে গরু কেনার জন্য আসেন ক্রেতারা। এ বছর করোনা সংক্রমণ রোধে কঠোর লকডাউন চলার কারণে স্থায়ী এ হাট সরিয়ে নেওয়া হয় বাজার সংলগ্ন খেলার মাঠে।
শুক্রবার (৯ জুলাই) ছিল এ বাজারের হাটবার। কোরবানির ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকায় হাটে উঠেছিল অনেক পশু। কঠোর লকডাউনের কারণে প্রথমে হাট বসাতে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও স্থায়ী হাট হওয়ার কারণে পরে অনুমতি দেয় প্রশাসন।
বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত আজমেরী হকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দরবস্ত বাজারে অবস্থান নেন। এসময় তারা কঠোর লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকান ব্যতিত অন্যসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার পাশাপাশি পশুর হাট খোলা মাঠে নিয়ে যাবার নির্দেশ দেন।
এরপরই হাটের ইজারাদাররা হাটের নির্ধারিত স্থান থেকে খেলার মাঠে হাট সরিয়ে নেন। তবে খেলার মাঠে অত্যাধিক কাদার কারণে ক্রেতাদের আগ্রহ কম ছিল বলে জানিয়েছেন ইজারাদাররা। তারা বলেন, প্রশাসনের অনুমতিক্রমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খেলার মাঠে হাট নিয়ে আসা হয়েছে। তবে কঠোর লকডাউনের কারণে হাট এখনও জমেনি। পশু স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম এসেছে, বিক্রিও কম হয়েছে।’
সেখানে গরু নিয়ে আসা বিক্রেতা আনা মিয়া বলেন, ‘চারটি গরু নিয়ে হাটে এসেছিলাম। একটি গরুও বিক্রি হয়নি। মূলত হাটের মধ্যে অতিরিক্ত কাদা থাকার কারণে ক্রেতারা সেখানে প্রবেশ করতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন। আর লকডাউনের কারণে দূরের ক্রেতারাও আসছেন না।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, ‘অস্থায়ী হাট বসানোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নিয়মিত হাটের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়। এজন্য খোলা মাঠে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট পরিচালনার জন্য হাটের ইজারাদারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
এদিকে হাট খোলা মাঠে সরিয়ে নিলেও সেখানে উপেক্ষিত হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি। হাট কমিটির পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মানার নানা পদক্ষেপ নেওয়া হলেও সেখানে আসা দর্শনার্থী আর ক্রেতারা ছিলেন এ বিষয়ে উদাসিন। কারও মুখে ছিল না মাস্ক, আবার কারও ছিল থুতনিতে।
অনেকে প্রশাসনের ভয়ে হাতে কিংবা পকেটে মাস্ক নিয়ে ঘুরলেও মুখে পরিধান করতে তাদের অনাগ্রহ দেখা গেছে। সামাজিক দূরত্বও ভঙ্গ হয়েছে হাটে। মাস্ক পরিধান না করার বিষয়ে কারণ জানতে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলা হয়। তাদের বেশিরভাগই দিয়েছেন ‘খোঁড়া যুক্তি’। আর অনেকে বলছিলেন, মাস্ক সাথে আছে। তবে গরমের কারণে খুলে রেখেছি। বেশি ভিড়ের মধ্যে গেলে মুখে পড়ি। আর পুলিশ-আর্মি দেখলেই মুখে পড়ি।’
সিলেট/নোমান/টিপু
আরো পড়ুন
Related Keywords
, Bmw, Yet Not, Market District, After Hat Leaseholders, Rana Mia, Regular Hat, For Hat, பிஎம்டபிள்யூ, இன்னும் இல்லை, சந்தை மாவட்டம்,